বিজ্ঞাপন

আবদুল হালিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগামীকাল আমার একমাত্র ছেলে হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির রায় ঘোষণা হবে। রায়কে কেন্দ্র করে আমার ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। সার্বক্ষণিক আমার সঙ্গে পুলিশ থাকায় সে শঙ্কা দূর হয়েছে।’

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, বিচারকদের সার্বক্ষণিকই নিরাপত্তা দেওয়া হয়। তাঁদের নিরাপত্তায় অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য সর্বদাই মোতায়েন থাকে। তারপরও একটি বহুল আলোচিত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করবেন বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্সে বসবাসকারী একজন বিচারক। তাই বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সেখানে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে স্ত্রী আয়শার সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরের দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ছিলেন এ মামলার প্রধান সাক্ষী। ৩০ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে আয়শা সিদ্দিকাসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন