বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১১ নভেম্বরের কায়েতপাড়া ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার রাতে মোশারফ হোসেনের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীরা সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বাড়িতে ঢুকে লোকজনকে মারধর করে বাড়িতে আগুন দেন। হামলার সময় ওই বাড়ির দুই সদস্য ছররা গুলিতে ও পাঁচ সদস্য ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম করা হয়েছেন। এ সময় বাড়ি থেকে অন্তত ৩১ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় মোশারফ হোসেনের বোনের ছেলে রেনু মিয়া নিখোঁজ বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় মিজানুর ছাড়াও তাঁর ভাই সফিকুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিনের নাম আছে। মামলার আসামিরা সবাই মিজানুরের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। মিজানুর রহমান কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। ১১ নভেম্বরের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জায়েদ আলীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মিজানুর নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহকার পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) আবির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মঙ্গলবার রাতেই জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়েছিল। গতকাল রাতে মামলা হওয়া পর জসিমকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
এদিকে নিখোঁজ রেনুর বিষয়ে জানতে চাইলে আবির হোসেন দাবি করে, রেনু ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। দুই পক্ষই রেনুকে তাদের লোক বলে দাবি করছে।

মঙ্গলবার রাতে এ হামলার পর গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এ সময় মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় নৌকার প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন