বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

১ নম্বর রেলগুমটি থেকে ২০০ গজ দূরে রেললাইনের ওপরে দোকান পেতেছেন শহরের হাতিখানা মহল্লার মহসিন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘দোকান ভাড়া নেওয়ার পুঁজি নেই, তাই বাধ্য হয়ে লাইনের ওপরে বসেছি কিছু তৈরি পোশাক নিয়ে। আমার মতো দুই হাজারের বেশি ছোট ছোট ব্যবসায়ী রেললাইনে ব্যবসা করছেন। সৈয়দপুর পৌরসভায় নির্দিষ্ট কোনো হকার্স মার্কেট না থাকায় আমাদের এ দুর্দশা।’

স্যান্ডেলের দোকান দিয়েছেন আজমত আলী। তিনি বলেন, ‘ট্রেন এলে আমাদের দৌড়াদৌড়ি করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই আতঙ্কে থাকেন। তবু আমাদের কোনো বিকল্প নেই।’

রেলের পুলিশ সুপার সিদ্দিকী তাঞ্জিলুর রহমান বলেন, গত মার্চেও রেললাইনের আশপাশে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে এসেছে। বিষয়টি মানবিক, তাই পুলিশ কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠোর হতে পারে না। তবে সবারই সচেতন হওয়া দরকার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন