বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুধু মলি নন, রেললাইনের দুই ধারে নদীভাঙনে সব হারানো তিন শতাধিক পরিবারের বসবাস। দিন এনে দিন খাওয়া পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত রেললাইন রয়েছে। তবে পুরো লাইন এখন পরিত্যক্ত। প্রায় দুই কিলোমিটার পরিত্যক্ত লাইনের দুই পাশে গড়ে উঠেছে বসতি। বেশির ভাগ পরিবার এখানে ১০–১৫ বছর ধরে বসবাস করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় কয়েক বাসিন্দা জানান, তাঁরা বিশুদ্ধ পানি পান না। ভালো শৌচাগারও নেই। বন্যার সময় প্রায় এক মাস ঘরবাড়ি ডুবে থাকে। কোনো রাস্তাঘাট নেই। রেললাইন ধরে যাতায়াত করতে হয়। ভাঙনে সব হারিয়ে অনেকটাই নিঃস্ব তাঁরা। সরকার তো আশ্রয়হীনদের ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। কিন্তু তাঁরা আজ পর্যন্ত কোনো ঘরের বরাদ্দ পাননি।

কবেদা বেগমও ছাপরা তুলে স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলে তেমন কোনো কাজও নেই। ঘর ভাঙা, ঠিক করার মতো পয়সা নেই। অন্য জায়গা থেকে পানি এনে খেতে হয়। সরকার আমাদের ঘরবাড়ি করে দেবে না?’

চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুক্তাদীর মিয়া জানান, তাঁরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁদের নানাভাবে সহযোগিতা করা হয়। কিন্তু তাঁদের জন্য ঘর করে দিলে সবচেয়ে ভালো হতো।

বকশীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন জাহান লিজা দেওয়ানগঞ্জের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি জানান, তাঁদের নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন