বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা যশোর থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের চালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সামনের গাড়ি লক্ষ্য করে আমরা এগোচ্ছি। সামনের গাড়ি ধীরে ধীরে আগাচ্ছে, আমিও পিছু পিছু যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের কী করার আছে? সামনে থেকে গাড়িগুলো দ্রুত টানলে আমরাও যেতে পারি।’

রেলগেট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলওয়ের গেটকিপার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন দিনের বেলায় কয়েকবার করে গাড়ির লম্বা লাইন তৈরি হয়। ট্রেন আসার সময় আমাদের হুঁশ থাকে না। আমরা দ্রুত রেললাইনের উভয় পাশে লাল কাপড় টানিয়ে ট্রেনকে সতর্ক করে দিই। রেললাইনের ওপর থেকে গাড়িগুলোকে দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করতে হয়। আমরা উভয় দিক থেকে ব্যারিকেড ফেলে দিই।’

ওজন স্কেল থেকে প্রতিদিন ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের লম্বা লাইন রেলগেট পার হয়ে যায় বলে জানালেন স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে এক মোটরসাইকেল আরোহী লাইন পার হতে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির সঙ্গে ধাক্কায় গুরুতর জখম হন।

রেলগেট এলাকার মুদিদোকানি সেলিম মোল্লা বলেন, ওজন স্কেল থেকে গাড়ির লাইন রেলগেট ছাড়িয়ে এক কিলোমিটারের বেশি লম্বা হয়। দিনে অন্তত তিন-চারবার এমন লম্বা লাইন তৈরি হয়। গাড়ির লাইন যখন মহাসড়কে থাকে, তখন ফেরি থেকে নেমে আসা দক্ষিণাঞ্চলগামী গাড়ি এবং দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী গাড়ির তিন লাইনে দীর্ঘ জট তৈরি হয়। এ সময় পথচারীদের চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। রেললাইনের ওপর অনেক গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন