default-image

রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘রেল একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যাত্রী পরিবহন করে রেলকে লাভজনক অবস্থায় নেওয়া যায় না। লাভের চেয়ে তাই সেবাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয় বেশি। পৃথিবীর কোনো দেশের রেলই লাভজনক নয়। তবে আমরা রেলকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করে যাচ্ছি। আশা করছি, রেল লাভজনক অবস্থায় যাবে।’

আজ রোববার বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রস্তুতি সভায় যোগদানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রেলপথমন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ দুটি ভাগে হবে। একটি টাঙ্গাইল অংশে, অন্যটি সিরাজগঞ্জ অংশে। ১০০ কিলোমিটার গতিতে সেতুর ওপর দিয়ে রেল চলাচল করতে পারবে। ফলে দেশে রেল যাতায়াতের চাহিদা পূরণ হবে। ২০২৪ সালের আগস্টে এই সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে। জাপানের আর্থিক সহায়তায় এর নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা।

রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যার পর সব প্রকার রেলব্যবস্থা ধ্বংস হয়। এখন পর্যন্ত ১০৭টি রেলস্টেশন বন্ধ রয়েছে। বিএনপি-জামায়াত সরকার আর নতুন করে রেল খাতে উন্নয়ন করেনি। বর্তমান সরকার রেলব্যবস্থাকে তৈরি করছে। এর সুফল পেতে সময় লাগবে। ভবিষ্যতে এর সুফল পাওয়া যাবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ছানোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম খান, তানভীর হাসান এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান, জেলা প্রশাসক আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0