বিজ্ঞাপন

অনশন চলাকালে পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ বি এম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মির্জা আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সৈকত আফরোজ, একুশে টেলিভিশন প্রতিনিধি রাজিউর রহমান, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান প্রমুখ। দুপুর দেড়টার দিকে পাবনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম পানি পান করিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের অনশন ভঙ্গ করান।

বক্তারা বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম দেশের স্বার্থে কাজ করেন। তিনিই দেশের মানুষের কাছে স্বাস্থ্য খাতের লাগামহীন দুর্নীতির প্রতিবেদন তুলে ধরেছেন। তাঁকে হেনস্তা করা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে আটকে রাখা মানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা। দেশের মানুষের তথ্য অধিকার খর্ব করা।

প্রেসক্লাব সম্পাদক সৈকত আফরোজ বলেন, দুর্নীতিকে আড়াল করতে একজন কলম সৈনিককে হেনস্তা করা দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। পুরো দেশ আজ ক্ষুব্ধ। আমরা চাই, দেশবাসীর সঙ্গে সরকারও একাত্ম হবেন। রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীদের বিচার করে নজির সৃষ্টি করবেন।

সভাপতির বক্তব্যে এ বি এম ফজলুর রহমান বলেন, জনগণকে দুর্নীতি ও লুটপাট দেখিয়ে দেওয়াই একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হেনস্তা সাংবাদিক সমাজ কোনো দিন মেনে নেবে না। আমরা প্রত্যাশা করি, সরকার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের প্রশ্রয় না দিয়ে সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে।

এদিকে এই কর্মসূচির আগে মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম পাবনা জেলা ইউনিট শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে মানববন্ধন করে। এতে ভূমিহীন সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক–সাংস্কৃতিক সংগঠন একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেয়।

এ ছাড়া ঈশ্বরদীতে কর্মরত সাংবাদিকেরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ মিছিল করে বেলা ১১টার দিকে শহরের স্টেশন সড়কে মানববন্ধনে মিলিত হন। একই সময়ে জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ফরিদপুর ও ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকেরা অংশ নেন। প্রতিটি কর্মসূচি থেকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীদের বিচার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন