বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর বলেছে, রোহিঙ্গা শরণার্থী নেতা মুহিবুল্লাহকে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। মুহিবুল্লাহর পরিবার এবং বৃহত্তর রোহিঙ্গা শরণার্থী সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি এ ঘটনার সঠিক তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়। ইউএনএইচসিআর ক্যাম্পগুলোতে বসবাসকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউএনএইচসিআর ক্যাম্পগুলোতে এর কর্মীদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে, যেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সেবা পায় এবং তাদের যেকোনো উদ্বেগের কথা জানাতে পারে। শরণার্থীদের সুনির্দিষ্ট চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে মনঃসামাজিক সহায়তাসহ সুরক্ষা এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রশিক্ষিত পেশাজীবী ও শরণার্থী স্বেচ্ছাসেবীরা শরণার্থীদের জন্য হেল্পলাইনে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছেন।

মুহিবুল্লাহ ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইট (এআরএসপিএইচ)’ সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে লম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরে বাড়ির সামনে সংগঠনের কার্যালয়ে যান মুহিবুল্লাহ। সেখানে কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে আলাপের সময় অস্ত্রধারী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা একাধিক গুলি করে পালিয়ে যায়। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আশ্রয়শিবিরের ক্যাম্প-১ ইস্টের ব্লক-ডি ৮ বাসাতে থাকতেন এই রোহিঙ্গা নেতা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন