বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাইমুল হক বলেন, গ্রেপ্তার সেলিম উল্লাহ একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য। মুহিবুল্লাহ হত্যার সঙ্গে তিনি জড়িত থাকতে পারেন।

পুলিশ ও স্থানীয় রোহিঙ্গারা জানায়, গত বুধবার রাত সাড়ে আটটায় লাম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরের ডি ব্লকের জামে মসজিদে এশার নামাজ আদায় করে ৭০ ফুট দূরত্বে থাকা আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের কার্যালয়ে ঢোকার সময় বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন মুহিবুল্লাহ (৪৮)। তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন। কার্যালয় থেকে ৩০ ফুট দূরেই তাঁর ঘর।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় উখিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কার্ত্তিক চন্দ্র পাল আজ বিকেল সাড়ে চারটায় প্রথম আলোকে বলেন, তিনি লাম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরে মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলার তদন্ত করছেন। এ পর্যন্ত তিনি কাউকে শনাক্ত করতে পারেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন