বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন উখিয়ার কুতুপালং জি/১৪ ব্লকের মো. খালেদ হোসেন (৩৩), কুতুপালং ১/ইস্ট ক্যাম্পের ই/১৩ ব্লকের সৈয়দ আমিন (৩৮), একই শিবিরের জি/১১ ব্লকের মো. শাকের (৩৫), বি/৩ ব্লকের মোহাম্মদ কলিম (১৮) ও ডি/৫ ব্লকের মো. ইলিয়াস (২২)। তাঁরা সবাই উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা ও মিয়ানমারের নাগরিক। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গার মতো তাঁরাও বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় তথাকথিত আরসা সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, অপহরণ, পুলিশের ওপর হামলাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

এপিবিএনের অধিনায়ক  নাঈমুল হক বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় তথাকথিত আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, অপহরণ, পুলিশের ওপর হামলাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের উখিয়া থানা-পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে ১৪ জনকে উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবির থেকে গ্রেপ্তার করা হলো। এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আজ শনিবার কক্সবাজার আদালতে পাঠানোর কাজ চলছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ও রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করেন। উখিয়ায় কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট ১ নম্বর ব্লকের বাড়ির সামনে এআরএসপিএইচ কার্যালয়ে তাঁকে পর পর পাঁচটি গুলি করা হয়। মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর কার্যালয়ে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যান অস্ত্রধারীরা। খুনে আরসা জড়িত বলে সন্দেহ করছেন মুহিবুল্লাহর স্বজনেরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন