বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হামলার সময় ক্রাথুইচিং মারমা নামের আরেক নারী আহত হন। তিনি এখন বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, অস্ত্রধারীরা গোপনে পাড়ায় ঢুকে উথোয়াইনু মারমার ছোট ভাইয়ের বাড়িতে যায়। উথোয়াইনু সেখানে বাড়ির বেড়ায় হেলান দিয়ে পাড়ার আরও কয়েকজনসহ কথা বলছিলেন। অস্ত্রধারীরা বাড়ির ভেতরে ঢোকেননি। বেড়ার বাইরের থেকে উথোয়াইনুকে পেছন থেকে গুলি করেছে। এ জন্য অস্ত্রধারীদের কাউকে তাঁরা দেখতে পাননি। আর তিনি (ক্রাথুইচিং) উথোয়াইনুর কোনাকোনিতে বসেছিলেন। একটি গুলি তাঁর ঊরুতে লেগেছে।

তালুকদারপাড়াবাসী বলেন, ২০১৬ সালের ৫ জুলাইয়েও একবার চাঁদাবাজদের সঙ্গে পাড়াবাসীর সংঘর্ষ হয়েছিল। তখন আতঙ্কে অনেক পরিবার পাড়া ছেড়ে জেলা শহরে আশ্রয় নেয়। পরে পাড়ার কাছাকাছি পুলিশ ক্যাম্প হওয়ায় আবার পরিবারগুলো পাড়ায় ফিরে আসে। কিন্তু উথোয়াইনু মারমার হত্যাকাণ্ডের পর তারা আবার আতঙ্কে রয়েছে।

রোয়াংছড়ি থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, উপর্যুপরি গুলিবর্ষণে ফলে সৃষ্ট আঘাত ও রক্তক্ষরণে উথোয়াইনু মারমার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন