বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাহের স্থানীয় দত্তপাড়া ইউনিয়নভিত্তিক একটি সন্ত্রাস বাহিনীর প্রধানের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর রাতে শ্রীরামপুর গ্রামে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন তাহেরের বাবা ফজলুল করিম ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে দুজন বিএনপির নেতা। বাকি আসামিরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী।

পুলিশ ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পুলিশের তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারভুক্ত আসামিদের নির্দোষ উপস্থাপন করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। বাদী ফজলুল করিম এতে অসন্তোষ জানান। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে সিআইডি এজাহারভুক্ত ১৭ আসামির সঙ্গে আরও ৩ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে আদালত দীর্ঘ শুনানিকালে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেন।

লক্ষ্মীপুর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বলেন, রাতের অন্ধকারে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল। ফলে বাদী ও সাক্ষীরা অপরাধীদের দেখেননি। সাক্ষীদের সাক্ষ্যে উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণিত হয়নি। এ কারণে বিচারক তাঁদের খালাস দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন