পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঢাকার ওয়ারী থানায় কুদ্দুসের বিরুদ্ধে একটি চেক জালিয়াতির মামলা ছিল। সম্প্রতি ওই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। সদর থানা-পুলিশ তাঁকে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা রোড এলাকার ফার্মেসি থেকে গ্রেপ্তার করে। খবর পেয়ে স্ত্রী নিগার সুলতানা স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মো. আল-আমিনকে নিয়ে থানায় যান। তাঁদের উপস্থিতিতেই হাজতে কুদ্দুস অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত সোয়া ১০টার দিকে কুদ্দুসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে কুদ্দুসের স্ত্রীও ছিলেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আবদুল কুদ্দুস স্ট্রোক করেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি হাসপাতালে মারা যান।

আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রী নিগার সুলতানা বলেন, কুদ্দুসের আগেও একবার স্ট্রোক হয়। তাঁর শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, হার্টেও রিং বসানো ছিল।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, ওয়ারী থানায় একটি চেকসংক্রান্ত মামলায় কুদ্দুসকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানাহাজতে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর স্ত্রী ও স্থানীয় কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন