বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৪ জন ছাত্রের মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেওয়ার ঘটনা সারা দেশে আলোচিত হয়।

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, দশম শ্রেণির ওই ছাত্ররা ক্লাসের শৃঙ্খলাভঙ্গ করে আসছে। এ জন্য তাদের অল্প করে চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। বাকি চুল তারা সেলুনে কেটেছে। তবে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ নেই।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, গত বুধবার তাদের ইংরেজি ক্লাস চলছিল। এ সময় হঠাৎ জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির কাঁচি দিয়ে তাদের ছয়জনের মাথার চুল কেটে দেন। ঘটনার পর তারা ক্লাস না করে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে যায়। তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সহপাঠীদের সামনে লজ্জিত হয়।

একাধিক শিক্ষার্থীর ভাষ্য, কয়েক দিন আগে ক্লাস চলাকালে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চুল বড় রাখার বিষয়ে ছাত্রদের বকাঝকা করে। এ জন্য ভয়ে তারা সবাই এমনিতে সব সময় চুল ছোট করে রাখে। কিন্তু এবার করোনার কারণে তারা সেলুনে চুল কাটতে যায় কম। এ কারণে চুল একটু বড় হয়ে গেছে। টুপির নিচে থাকে চুলগুলো।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বালাগাত উল্যাহ বলেন, এ ঘটনায় আগে কোনো শিক্ষার্থী অভিযোগ করেনি। খোঁজখবর নিয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাবোধ সৃষ্টির জন্য অনেক সময় ছাত্রদের একটু ভয় দেখানো হয়। তবে কোনো শিক্ষক ছাত্রদের চুল কাটতে পারেন না।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, ‘পুলিশ শিক্ষার্থীদের বাড়ি গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন