বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মঞ্জুরুল কবির হামছাদী কাজির দিঘিরপাড় আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও বামনী ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বলেন, রোববার সকালে শিক্ষক মঞ্জুরুল কবিরকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন করা হয়। এ সময় আদালত প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে দুপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনেছেন। পরে জামিন আবেদন খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গত শুক্রবার মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছয় ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রদের পাঠদান বন্ধ করে বারান্দায় ডেকে এনে চুল কেটে দিয়েছেন ওই শিক্ষক।

তবে গ্রেপ্তারের আগে মাদ্রাসাছাত্রদের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, দশম শ্রেণির ওই ছাত্ররা ক্লাসের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে আসছে। এ জন্য তাদের অল্প করে কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। বাকি চুল তারা সেলুনে কেটেছে। তবে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ নেই।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, গত বুধবার তাদের ইংরেজি ক্লাস চলছিল। এ সময় হঠাৎ জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির কাঁচি দিয়ে তাদের ছয়জনের মাথার চুল কেটে দেন। ঘটনার পর তারা ক্লাস না করে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে যায়। তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সহপাঠীদের সামনে লজ্জিত হয়।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, গুরুত্বসহকারে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। গতকালও মামলাসংশ্লিষ্ট লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ। কোনো শিক্ষক ছাত্রদের চুল কাটতে পারেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন