বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছয় ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রদের পাঠদান বন্ধ করে বারান্দায় ডেকে এনে চুল কেটে দেন ওই শিক্ষক।

গ্রেপ্তারের আগে অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির বলেছিলেন, দশম শ্রেণির ওই ছাত্ররা ক্লাসের শৃঙ্খলাভঙ্গ করে আসছে। এ জন্য তাদের অল্প করে কিছু চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। বাকি চুল তারা সেলুনে কেটেছে। তবে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ নেই।

ভুক্তভোগী কয়েক শিক্ষার্থীর ভাষ্য, গত বুধবার তাদের ইংরেজি ক্লাস চলছিল। এ সময় হঠাৎ জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির কাঁচি দিয়ে তাদের ছয়জনের মাথার চুল কেটে দেন। ঘটনার পর তারা ক্লাস না করে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে যায়। তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সহপাঠীদের সামনে লজ্জিত হয় তারা।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, কোনো শিক্ষক ছাত্রদের চুল কাটতে পারেন না। এ ঘটনায় একজন ছাত্রের অভিভাবক থানায় শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন। ওই মামলায় মাদ্রাসার শিক্ষক মঞ্জুরুল কবিরকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বামনী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। পুরো ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রয়োজন হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন