বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা উপলক্ষে গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় নেতাদের শুভেচ্ছা জানাতে অপেক্ষা করছিলেন নুরুল আজিম ও যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ সময় তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় নুরুল আজিমসহ যুবলীগের ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। অভিযোগ ওঠে, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা এ হামলা চালিয়েছেন। তবে ঘটনার পর সালাহ উদ্দিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। সালাহ উদ্দিন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরের ছেলে।

মঙ্গলবার মারধরের শিকার নুরুল আজিম পাঁচ দিন পর শনিবার ফেসবুকে এই স্ট্যাটাস দেন। ‘কী অন্যায় করেছিলাম আমি? কেন আমার ওপর এই হামলা’ শিরোনামে তাঁর স্ট্যাটাসটি স্থানীয় রাজনীতিবিদদের মধ্যে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় নেতাদের অনেকে বলছেন, প্রকাশ্যে তাহের পরিবারের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম কোনো নেতার পোস্ট।

নুরুল আজিম আগে তাহের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইনজীবী নুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় মেয়র তাহেরের বড় ছেলে এ এইচ এম বিপ্লব মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। পরে তাঁর সাজা মওকুফ করা হয়। ওই মামলায় নুরুল আজিমও কারাভোগ করেন। বিপ্লবের সহযোগী হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। সম্প্রতি নুরুল নিজেকে জেলা যুবলীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ঘোষণা করলে তাহের পরিবারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ দেখা দেয়।

নুরুল আজিমের ফেসবুক স্ট্যাটাসের বিষয়ে সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

জানতে চাইলে নুরুল আজিম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘হামলার বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতাদের জানানো হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এ জন্য মামলা করা হয়নি। এ ছাড়া ওই পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করেই–বা কী হবে? বাস্তব ঘটনা নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন