বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৭ জুলাই রাতে সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামে আসামিরা মমিনকে হত্যা করেন। একপর্যায়ে তাঁরা অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। পরে সড়কের ওপর থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন নিহত ব্যক্তির বাবা রামগঞ্জ উপজেলার আজিমপুর গ্রামের সুলতান আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের রেহান উদ্দিন ভূঁইয়া সড়ক থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করে। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি মোহন ও তারেকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর রায় ঘোষণা করেন।

মাদকের মামলায় একজনের ১০ বছর সাজা
একই আদালত একটি মাদক মামলায় গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রায়ের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর টেকনাফ থেকে পেটের ভেতরে করে ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার পথে লক্ষ্মীপুরের দালালবাজার থেকে গিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে হাসপাতালে নিয়ে তাঁর পেটের ভেতর থেকে ১ হাজার ১২৫টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত গিয়াস টেকনাফের পানখালি এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. জসিম উদ্দিন জানান, সাক্ষ্য গ্রহণের ভিত্তিতে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হত্যা মামলায় দুজন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। রায় ঘোষণার সময় এক আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। একই আদালত মাদক মামলায় একজনের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন