বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রচারণার শেষ দিনে গতকাল সন্ধ্যায় চশমা ও আনারস প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে সভা চলছিল। এ সময় নৌকার সমর্থকেরা তাঁদের ধাওয়া করেন। পরে নৌকার কর্মী-সমর্থকেরা বাবুল মোল্লা ও হোসেন হাওলাদারের নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর চালান। এদিকে রাতে ফজু মিয়ার হাটে এক পথসভায় বাবুল মোল্লা ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিলে নৌকা ও বাবুলের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

তবে নৌকার প্রার্থী নুরুল ইসলামের ভাষ্য, নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ সঠিক নয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লোকজন তাঁর সমর্থকদের ধাওয়া করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোসলেহ উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এ ছাড়া গতকাল রাতের ঘটনা এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, আগামীকাল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ধাপে জেলার কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন, চর কাদিরা, চরলরেন্স ও রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউপিতে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে চরলরেন্স ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন মাস্টার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন