default-image

লক্ষ্মীপুর জেলায় প্রথম করোনার টিকা নিয়েছেন সিভিল সার্জন আবদুল গাফফার। এরপর টিকা নিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন।

আজ রোববার সকালে তাঁদের টিকা নেওয়ার মধ্য দিয়ে জেলায় করোনা টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে। জেলায় আজ প্রথম দিন সাত হাজার মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তিন দিনে মোট ৩০ হাজার মানুষকে করোনার টিকা দেওয়া হবে।

আজ সকাল ১০টা থেকে পাঁচটি উপজেলায় করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য সদর হাসপাতালে ২১টি ও চারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১টি টিকাকেন্দ্র করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, টিকা নিতে গতকাল শনিবার রাত ১১টা পর্যন্ত জেলায় নিবন্ধন করেছেন ৬ হাজার ১৬২ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২ হাজার ২৭৪ জন, রায়পুরে ১ হাজার ২৯৯, রামগঞ্জে ১ হাজার ১২৩, কমলনগরে ৫৬৮ ও রামগতি উপজেলায় ৮৯৮ জন রয়েছেন।

জেলা সিভিল সার্জন আবদুল গাফফার বলেন, ‘টিকা নিয়ে যে অপপ্রচার রয়েছে, তা বন্ধে আমি আগে টিকা নিয়েছি। টিকায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। একটু ব্যথা, জ্বর ও শরীরে র‌্যাশ হতে পারে। আমরা এগিয়ে এলে সাধারণ মানুষের সংশয় দূর হবে।’ তিনি আরও বলেন, মানবদেহে এই টিকা নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে। টিকা প্রয়োগের পর এটিকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মানবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে দেখা গেছে। টিকা শুধু ওই টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিকেই নয়, তাঁর আশপাশে থাকা অন্যদেরও স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেবে। তাই সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে, অনলাইনে নিবন্ধন করে যথাসময়ে টিকা নিয়ে নিরাপদ থাকতে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন