বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার দুই নেতা হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন ও পৌর বিএনপির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক দিদারুল কবির।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষ লাঠি ও ইটপাটকেল ছোড়ে।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, দিদারুল কবির, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ রাকিব, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, রামগতি পৌর যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল ইসলামের নাম জানা গেছে। আহত ব্যক্তিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে ফেরার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে আওয়ামী লীগের লোকজন বিএনপি নেতা-কর্মীদের ধাওয়া করেন। এ সময় উভয় পক্ষ লাঠি ও ইটপাটকেল ছোড়ে। পরে সংঘর্ষ বেধে যায়।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিনসহ তাঁদের নেতা-কর্মীরা আহত হন। আওয়ামী লীগের লোকজন উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ও ভাঙচুর করেছেন। পরে আহত অবস্থায় জামাল ও দিদারুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।’

পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেছ মোল্লা বলেন, বিজয়স্তম্ভে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা চলে আসেন। পরে তাঁরা আলেক্সান্ডার বাজারে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বসে ছিলেন। বিএনপি নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে ফেরার পথে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিল করেন। এ সময় মিছিল থেকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে উচ্ছৃঙ্খল স্লোগান দেওয়া হয়। পরে স্লোগান ও লাঠিমিছিল বন্ধ করতে বললে তাঁরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান। ইটপাটকেল ছুড়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ও ভাঙচুর করেন।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, বিজয়স্তম্ভে ফুল দিয়ে ফেরার পথে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন