বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল আমিন বলেন, মিলন আগে সুস্থ ছিলেন। দুই বছর ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত। অসুস্থতার কারণেই হয়তো মাকে হত্যার পর পুড়িয়ে ফেলেছেন। তিনি আরও বলেন, মিলনের বাবা প্রবাসী ছিলেন। তিনি কয়েক বছর আগে বিদেশেই মারা যান। আমেনা বেগমের আরও দুই ছেলের মধ্যে একজন প্রবাসী, আরেকজন ঢাকায় চাকরি করেন। মিলন তাঁর ছোট ছেলে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিলন তাঁর মাকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বসহ তদন্ত করা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন