বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৩ মার্চ দুপুরে আইসক্রিম খাওয়ানো ও টিভি দেখার কথা বলে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করেন শাহ আলম। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ২৬ মার্চ ওই শিশুর বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, ওই শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনার পর নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে রামগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এরপর একই বছরের ১ জুলাই পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এ মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর আলোচিত এই হত্যা মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি (পিপি) মো. আবুল বাশার প্রথম আলোকে বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী রায়। সাক্ষ্যপ্রমাণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত শাহ আলমকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার রায় দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলার আরেক আসামি বোরহান উদ্দিনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন