বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল বিকেলে কমলনগর থানা-পুলিশ রুবিনার লাশ লিটনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। তখন রুবিনা গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে লিটনের পরিবারের লোকজন প্রচার করেন। পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ওই সময় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়।

পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন বলা হয়, রুবিনাকে মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওই বছরের ৮ জুলাই কমলনগর থানা-পুলিশের এসআই মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এতে রুবিনার স্বামী মো. লিটনকে অভিযুক্ত করা হয়। পরদিন তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে লিটন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। একই বছরের ৩১ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অনিমেষ মণ্ডল লিটনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর তাঁর গলায় ফাঁস দিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে এটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেন লিটন। লিটন দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেন। মামলায় ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন