বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানা যায়, উপজেলার ১৫টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে ১৫ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের ৩৫ জন নেতা-কর্মী ‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় দল থেকে ১৯ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী ছয়জন
উপজেলার ১৫টি ইউপিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাত্র ৬টি নৌকার প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। তাঁরা হলেন উত্তর জয়পুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান, শাকচরে মাহফুজুর রহমান, চরশাহীতে মো. জাহাঙ্গীর আলম, চর রমণীমোহনে ইউসুফ ছৈয়াল, দত্তপাড়ায় এ টি এম কামাল হোসেন ও টুমচরে সৈয়দ নুরুল আমীন।

আট ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর জয়
উপজেলার ১৫টি ইউপির মধ্যে ৮টিতেই আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। তার মধ্যে দীঘলীতে ইসমাইল হোসেন, ভবানীগঞ্জে সাইফুল হাসান, মান্দারীতে সোহরাব হোসেন, হাজিরপাড়া বাবুল পাটোয়ারী, বশিকপুরে মাহফুজুর রহমান, কুশাখালীতে ছালেহ উদ্দিন, পার্বতীনগরে ওয়াহিদুর রহমান ও চন্দ্রগঞ্জ ইউপিতে নুরুল আমিন জয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া উত্তর হামছাদী ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম নির্বাচন করে জিতেছেন।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের এমন ভরাডুবির কারণ জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিয়া গোলাম ফারুক জানান, নৌকার কর্মী-সমর্থকেরা দলের প্রার্থীদের পক্ষে ঠিকমতো কাজ করেননি। এতে ৯ জন দলীয় প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে ভবানীগঞ্জ ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সাইফুল হাসান ও বশিকপুরের মাহফুজুর রহমান বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলেও আঞ্চলিক নির্বাচনে আন্তরিকতা ও স্থানীয় প্রভাব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখানে ভোটাররা শুধু প্রতীক দেখেই ভোট দেন না। তা ছাড়া সঠিক ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিতে পারেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন