বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমিরুল আজাদ বলেন, লঘুচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেওয়া ছিল। রাত থেকে আবহাওয়া ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে আর সতর্কসংকেত বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই।

গত দুই দিন খুলনায় সূর্যের দেখা মেলেনি। আজ সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে শহরের রাস্তায় লোকজনের আনাগোনা তুলনামূলকভাবে ছিল কম। দুপুরের দিকে নগরের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টিতে বেশির ভাগ নিচু এলাকাগুলো হাঁটুপানিতে তলিয়ে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় প্রায় কোমর পর্যন্ত পানি উঠে গেছে।

এ সময় নগরের রয়েল মোড়, খানজাহান আলী সড়ক, বাইতি পাড়ার সড়ক, শামসুর রহমান সড়ক, মিস্ত্রিপাড়া, সিমেন্ট্রি সড়ক, মুজগুন্নী সড়ক, এম এ বারি লিংক সড়ক, শিপইয়ার্ড সড়কসহ অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে। বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সড়কে পানি ছিল। সড়কের পাশের কিছু কিছু দোকানেও পানি উঠে গেছে।

default-image

রয়েল মোড়ে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক নিয়ে বসে ছিলেন চালক হাসানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘পানির মধ্যে কোথাও যাওয়া যাচ্ছে না। সারা দিনই বসে আছি। এই পানিতে নামলেই গাড়ির মোটর নষ্ট হয়ে যাবে। পানি কমার পর গাড়ি নিয়ে বের হব।’

একই জায়গায় রিকশার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সাঈদুর রহমান। তিনি জানালেন, অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও কোনো রিকশা পাচ্ছেন না তিনি। কিছুক্ষণ পর একটি রিকশা পেলেও এক কিলোমিটারের চেয়ে কম দূরত্বের পথ রিকশাওয়ালা ভাড়া চাইলেন ১০০ টাকা। অগত্যা দর–কষাকষি করে ৮০ টাকায় যেতে রাজি হন রিকশাচালক।

নগরের মুজগুন্নী এলাকায় ছিলেন প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সাদ্দাম হোসেন। তিনি জানান, বৃষ্টিতে বয়রা, মুজগুন্নী, বাস্তুহারা এলাকাসহ ওই এলাকার বিভিন্ন সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। বিশেষ করে সোনাডাঙ্গা-নতুন রাস্তা সড়কের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুপানির বেশি ছিল। ওই সড়কে বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত থাকায় সড়কটি দিয়ে যানবাহন চালাতে বেগ পেতে হচ্ছে চালকদের। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে ইজিবাইক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

জলাবদ্ধতার ব্যাপারে জানতে চাইলে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, খুলনা নগরের পানিনিষ্কাশনের ব্যাপারটি অনেকটা রূপসা নদীর জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে। জোয়ারের সময় ভারী বৃষ্টি হলে জলজট তৈরি হয়। তবে তা সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা স্থায়ী হয়। ড্রেনগুলো সব পরিষ্কার করা আছে। জোয়ারের কারণে পানি সরতে কিছুটা দেরি হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন