বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, গত শুক্রবার জিও ব্যাগ নদীর পাড়ে খামাল দিয়ে রাখার কিছুক্ষণ পর দুপুর ১২টার দিকে বেশ কিছু বস্তা নদীতে ধসে পড়ে। এ সময় কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। বালুর বস্তার সঙ্গে ৩-৪ জন শ্রমিকও নদীতে পড়ে যান। এ সময় অন্য শ্রমিকেরা তাঁদের টেনে ওপরে তোলেন। এ ছাড়া পরদিন শনিবার বিকেলে ভারী বৃষ্টির পর থেকে একাধিক স্থান ধসে পড়ে। গতকালও থেমে থেমে ভাঙন দেখা দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর মোল্লা বলেন, শুক্রবার (১৬ জুলাই) নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর ভাঙন এলাকায় আসার কথা ছিল। এ কারণে খুব সকাল থেকে এলাকায় শত শত বালুভর্তি জিও ব্যাগ সাজিয়ে রাখা হয়। কিন্তু মন্ত্রী ভাঙন এলাকায় না নেমে নদীতে ঘুরে ওই অবস্থায় ফিরে যান। তার কিছুক্ষণ পর খামাল দিয়ে রাখা কিছু বস্তা পাড় ধসে নদীতে চলে যায়। আলমগীর মোল্লা বলেন, ‘ভাঙন ঠেকবে এই আশায় আমরা এখনো খালি ভিটায় অপেক্ষায় রয়েছি। ঘর-দরজা ভেঙে কিছু অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে যাঁরা বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন, কাজের মান নিয়ে এলাকাবাসীর অসন্তোষ রয়েছে। এলাকার মানুষ আরও ভালো কাজ আশা করছেন।

বিআইডব্লিউটিএর দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম। নদীতে প্রচণ্ড স্রোত আছে। হালকা হালকা ভাঙতেই পারে, যা ভাঙছে গত মঙ্গলবারের মতো ভয়াবহ না। ভাঙন ঠেকাতে লঞ্চঘাট থেকে শুরু করে ৭ নম্বর ফেরিঘাট পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করে যাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন