বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝির ঘাট এলাকায় গত বছর ২৫ আগস্ট নতুন করে একটি ফেরিঘাট নির্মাণ করে বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিটিএ। তবে নাব্যতা–সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ওই পথে ফেরি চালু করা যায়নি। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে ওই নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু করা হয়। এবার ঈদে ঘরমুখী মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সেখানে আরেকটি ফেরিঘাট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

default-image

গত সোমবার জাজিরা-শিমুলিয়া নৌপথ পরিদর্শনে যান বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। তখন তিনি সাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝির ঘাটে আরেকটি ফেরিঘাট নির্মাণের ঘোষণা দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটির প্রকৌশল বিভাগ গত বুধবার থেকে ওই ফেরিঘাটের নির্মাণকাজ শুরু করে।

সাত্তার মাদবর-মঙ্গল মাঝির ঘাটের যেখানে লঞ্চঘাট ছিল, সেই স্থানেই ফেরিঘাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কারণে ওই স্থান থেকে ৪০০ মিটার পূর্ব দিকে লঞ্চঘাট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লঞ্চঘাট সরিয়ে নেওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ কিছুটা বেড়েছে। যাত্রীদের মালামাল নিয়ে হেঁটে লঞ্চে ওঠানামা করতে হচ্ছে।

জাজিরার রূপবাবুর হাট এলাকার বাসিন্দা সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘আগে বাস অথবা সিএনজি থেকে নেমেই লঞ্চে উঠতে পারতাম। লঞ্চঘাটটি সরিয়ে নেওয়ায় আমাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। ৩০০ মিটারের মতো আমাদের হাঁটতে হয়। মালামাল সঙ্গে থাকলে অনেক কষ্ট হয়।’

বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া-জাজিরা নৌপথের ট্রাফিক সুপারভাইজার আবদুল্লাহ ইনাম বলেন, এ নৌপথে ২০টি লঞ্চ চলাচল করে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতি ২০ মিনিট পরপর লঞ্চগুলো ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। লঞ্চঘাট সরিয়ে নেওয়ায় যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ বেড়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর প্রকৌশল বিভাগের কার্যসহকারী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল প্রথম আলোকে বলেন, ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ফেরিঘাটটির নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। ২৮ এপ্রিল থেকে এ ঘাটে ফেরি চলাচল করতে পারবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন