বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই লঞ্চেই যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০ শতাংশ ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।
মুদি ব্যবসায়ী গোলাম মাওলা বলেন, ‘আমরা ছোট ব্যবসায়ী। ১০০ টাকায় ডেকে বসে ঢাকায় আসা-যাওয়া করতাম। কিন্তু এখন সেই ভাড়া ১৫০ টাকা করে রাখা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ঢাকা আসা-যাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।’

হেলাল দেওয়ান নামের আরেক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, লঞ্চের ভাড়া যে হারে বাড়ানো হয়েছে আর প্রথম শ্রেণিতে যাওয়ার উপায় নেই। সরকার-লঞ্চমালিক তাদের ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

default-image

তবে লঞ্চ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, তাঁরা মালিকপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী ভাড়া নিচ্ছেন। সোনার তরী লঞ্চের কর্মচারী সিদ্দিকুর রহমান জানান, সোনার তরী লঞ্চের ডেকে ভাড়া ছিল ১১৫ টাকা। এখন ১৫০ টাকা করা হয়েছে। চেয়ার কোচে ১৮০ থেকে বাড়িয়ে ২২০ টাকা, শৌখিনে ২৮০ থেকে বাড়িয়ে ৩২০ টাকা, বিজনেস ক্লাসে ৩০০ টাকার থেকে ৩৫০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া সিঙ্গেল নন-এসি কেবিনে ১০০ টাকা বাড়িয়ে ৬০০ টাকা, ডাবল কেবিনে ২০০ টাকা বাড়িয়ে ১২০০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে সিঙ্গেল এসি কেবিনে ৬০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা এবং ডাবল কেবিনে ১২০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা করা হয়েছে। অন্যান্য লঞ্চেও প্রায় একই ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক কায়সারুল ইসলাম বলেন, নতুন ভাড়ায় প্রতি কিলোমিটারে ৬০ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া হলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন