বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার বিকেলে পটুয়াখালী নদীবন্দরে গিয়ে দেখা গেছে, টার্মিনালে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার জন্য সাতটি লঞ্চ প্রস্তুত। লোকজন টার্মিনালে এসেই লঞ্চে আসন নিচ্ছেন। টার্মিনাল এলাকায় বেশির ভাগ মানুষ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখছেন না। অনেকের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। লঞ্চের ডেকে বসা যাত্রীদের অনেকেরই মুখে মাস্ক ছিল না। কারও কারও মাস্ক ছিল থুতনিতে। যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে একে অপরের গা ঘেঁষে লঞ্চের ডেকে বসে ছিলেন।

লঞ্চ কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় লঞ্চে ঢোকার সময় যাত্রীদের জীবাণুনাশক এবং যাদের মুখে মাস্ক নেই, তাদের মাক্স সরবরাহ করছে। এ ছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ডেকে বসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। তারপরও অনেক যাত্রীকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশনাগুলো মানতে দেখা যায়নি।

বিকেল সোয়া পাঁচটা থেকে লঞ্চগুলো পর্যায়ক্রমে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রীদের চাপ থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি ও পটুয়াখালী নদীবন্দরের নির্দেশনায় লঞ্চগুলো বিকেল পৌনে চারটা থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

পটুয়াখালী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুক্রবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে। এ কারণে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বেশি। যাত্রীরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, সে জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। যাত্রীদের মাস্ক পরার বিষয়ে তাগিদ দিতে টার্মিনাল এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। কোনো লঞ্চ যাতে বেশি যাত্রী পরিবহন না করে, সে লক্ষ্যে অতিরিক্ত আরও তিনটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারি রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন