বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচল বন্ধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বুধবার কিছু লোক আরিচা-কাজীরহাট নৌপথে স্পিডবোট ও লঞ্চে যাত্রী পরিবহন করেন। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএর আরিচা কার্যালয়ের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে আরিচা ঘাটে গিয়ে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেন। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুসের নির্দেশে অন্যান্য নেতা-কর্মীরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ধাক্কা মেরে আহত করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী মাসুদ পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে অবৈধভাবে স্পিডবোট ও লঞ্চে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছিল। পরে এসব নৌযান চলাচল বন্ধ করা হলে তিনিসহ তাঁর সহকর্মীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, হামলা এবং সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করা হয়। পরে সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার সকালে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ অনুমতি দিলে তাঁরা পাঁচ-ছয়টি স্পিডবোট দিয়ে যাত্রী পারাপার করতে থাকেন। পরে দুপুরের দিকে ওই কর্মকর্তা তাঁর লোকজন নিয়ে ঘাটে এসে তাঁদের সঙ্গে উচ্চ স্বরে কথা বলে নিষেধ করেন। এ ছাড়া আর ঘটনা ঘটেনি।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির বলেন, সরকারি কাজে বাধা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন