বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআইর গাজীপুরের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, পিবিআইর ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদারের তত্ত্বাবধানে ও পিবিআইর গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদের রহমানের সহযোগিতায় মামলা তদন্তের দায়িত্ব পান পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান। পরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার হিজুলিয়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫), বনখড়িয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. আফ্রিদি (১৯), একই গ্রামের শাহাজ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ হানিফ (২৭), গাজীপুর সদর উপজেলার বাউপাড়া গ্রামের নিয়ত আলীর ছেলে রাকিব হোসেন (২২), জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার দরজিপাড়া গ্রামের মো. হাসানের ছেলে রাজিব শেখ (২২) এবং ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মিছিটেংগী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে জুয়েল রানা (২৭)। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছমত ওরফে তারেক পলাতক।

ঘটনার ১০-১২ দিন আগে মোসা. কারিমা নামের এক তরুণীকে দুই পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেন শরিফুল। এদিকে কারিমার বড় ভাইয়ের শ্যালক রাজিব কারিমাকে পছন্দ করতেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার ১০-১২ দিন আগে মোসা. কারিমা নামের এক তরুণীকে দুই পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেন শরিফুল। পরের দিন পারিবারিকভাবে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে কারিমাকে ঘরে তুলে নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। এদিকে কারিমার বড় ভাইয়ের শ্যালক রাজিব কারিমাকে পছন্দ করতেন। বিয়ের ঘটনা রাজিব মেনে নিতে পারেননি। তাঁর ভেতরে প্রতিহিংসা জন্ম নেয়। কারিমার বড় দুই বোনের স্বামীরাও পালিয়ে বিয়ে করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তাঁদের সহযোগিতায় শরিফুলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আছমত ওরফে তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজিব। শরিফুলকে হত্যার জন্য আছমতের সঙ্গে এক লাখ টাকার চুক্তি করেন তিনি। চুক্তি অনুযায়ী আছমত  তাঁর সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে শরিফুলকে বাড়ির অদূরে একটি জঙ্গলে নিয়ে শরিফুলের গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করেন। ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় লোকজন তাঁর গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আসামিরা এক লাখ টাকার চুক্তিতে শরিফুলকে হত্যা করেন। আমরা ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে পিবিআই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছমত ওরফে তারেককে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। শিগগিরই তিনি গ্রেপ্তার হবেন আশা করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন