বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিদাতারা বলেন, সমতলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা দেশের প্রচলিত আইনে নির্ধারণ করা হলেও, তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড়িদের ভূমিমালিকানা সামাজিক। ‘সর্বজনীন সম্পদ-সম্পত্তি মালিকানা অধিকার’ নীতিই হলো তাদের ভূমিমালিকানার ভিত্তি। ফলে এই মালিকানা বংশপরম্পরায় মৌখিক। তিনটি সার্কেলের আওতায় পার্বত্য পাড়ার হেডম্যান এবং কারবারিরা এর ব্যবস্থাপনা করে থাকেন। কিন্তু গত ৩০ বছরে এই পার্বত্য পাড়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ভূমির পরিমাণ শতকরা ৫১ ভাগ কমে গেছে। পাহাড়িদের সামাজিক মালিকানার অর্ধেকের বেশি ভূমি ও ভূসম্পত্তি হাতছাড়া হয়ে গেছে।

বিবৃতিদাতারা বলেন, ‘লাংকম জুমের বাগান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকার বিষয়টি আমাদের গভীরভাবে হতাশ করেছে; আমরা উদ্বিগ্ন। বাগান পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর শিগগিরই খাদ্যসংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে কোনো প্রকার ব্যবস্থা কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে তাদের আশ্বস্তও করা হয়নি, যা আমাদের বিক্ষুব্ধ করেছে।’

বিবৃতিতে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করা, দায়ীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং পাড়াগুলোতে স্থানীয় মানুষের দখলস্বত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন পঙ্কজ ভট্টাচার্য, সুলতানা কামাল, রাশেদা কে চৌধূরী, রামেন্দু মজুমদার, ডা. সারওয়ার আলী, ডা. ফওজিয়া মোসলেম, নুর মোহাম্মদ তালুকদার, এস এম এ সবুর, খুশী কবির, এম এম আকাশ, রোবায়েত ফেরদৌস, জাহিদুল বারী, সালেহ আহমেদ, পারভেজ হাসেম, রবীন্দ্রনাথ সরেন, আবদুল ওয়াহেদ, আবদুর রাজ্জাক, সেলু বাসিত, রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, ডা. লেনিন চৌধুরী, এ কে আজাদ, অলক দাসগুপ্ত, দীপায়ন খীসা, জীবনানন্দ জয়ন্ত, বিভূতিভূষণ মাহাতো, কাজী আবদুল মোতালেব , গৌতম শীল ও দনওয়াই ম্রো।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন