বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার দুপুরে নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-৫–এর অধিনায়ক জিয়াউর রহমান তালুকদার। তিনি বলেন, লালপুরে সরকারি দিঘির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মখলেছুর রহমান হত্যার পর থেকে তাঁরা ঘটনাস্থল ও এর আশপাশে অবস্থান নেন। এরপর গতকাল রাতে মখলেছুরের স্ত্রী মরিয়ম বেগম মামলা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়।

র‍্যাব জানায়, অভিযান পরিচালনার সময় লালপুরের করিমপুর রেলগেট এলাকা থেকে ওই মামলার আসামি মো. এরশাদ (৩৫), মো. মন্টু (৪২) ও মো. সিদ্দিক আলীকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বাড়ি উপজেলার অর্জুনপাড়া ও ঈশ্বরপাড়া গ্রামে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি অস্ত্র (হাঁসুয়া) জব্দ করা হয়। আজ দুপুরে তাঁদের লালপুর থানা–পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল রাতে লালপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে একই মামলার এজাহারভুক্ত আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে লালপুর থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ঈশ্বরপাড়া গ্রামের আবদুর রহমান (৫৩), লুৎফর রহমান (৫২) ও মো.সজীব (৫২)।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আজ বিকেলে লালপুর আমলি আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাঁদেরকে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, সরকারি ওই দিঘির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের বিবাদ মীমাংসার উদ্যোগ নেয় পুলিশ। এর মধ্যেই গতকাল ভোরে হামলায় মখলেছুর রহমান নিহত হন। আজ দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে ঈশ্বরপাড়া গ্রামে মখলেছুর রহমানের লাশ দাফন করা হয়। হত্যার ঘটনার পর থেকেই গ্রামের বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গ্রামে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও সতর্ক অবস্থায় আছেন বলে জানা গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন