বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, ‘নব্বইয়ের সেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া। সেই নেত্রীকে মেরে ফেলার জন্য পয়জনিং করা হয়েছে। তিনি এটা বুঝতে পেরেও আপস করতে রাজি হননি। সেই আপসহীন নেত্রীকে মুক্ত করতে রাজপথে আমাদের কঠোর আন্দোলন করতে হবে।’
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মসূচি পালন করার জন্য শহরের যেকোনো একটি মাঠ ব্যবহারের সুযোগ চেয়েছিলাম। গত সোমবার রাতে পুলিশের পক্ষ থেকে রাজপথে সমাবেশ করতে বলা হলো। আমরা বাধ্য হয়ে লালমনিরহাট প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মঞ্চ তৈরি করে সমাবেশ করলাম। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে করা এ সমাবেশে বাধা উপেক্ষা করে মানুষের ঢল নেমেছে। সমাবেশ পরিণত হয়েছে জনসমাবেশে। আমাদের শহরের কোনো মাঠ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হলে যান চলাচলে যে সমস্যা হয়েছে, সেটা হতো না। এ জন্য আমরা দায়ী নই।’

বিএনপির সমাবেশের কারণে শহরের প্রধান প্রধান প্রবেশপথে ছিল পুলিশের কঠোর অবস্থান। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে কর্মসূচিতে অংশ নিতে পথে পথে নেতা-কর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন