বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জবানবন্দিতে মোস্তফা আদালতকে জানান, ইয়ার্কির ছলে তিনি লাথি দেন শমসেরকে। তা অণ্ডকোষে লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যান শমসের। স্বীকারোক্তির পর আদালত মোস্তফাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মোস্তফা ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। শমসেরের বাড়ি একই উপজেলার ছাতুনামা গ্রামে।

শমসেরের মৃত্যুর পর পেশাদার খুনির মতোই ঠান্ডা মাথায় মোস্তফা লাশ শনাক্ত থেকে দাফন পর্যন্ত সবকিছুই তদারকি করেন।
আকরামুল হোসেন, পুলিশ সুপার, পিবিআই বগুড়া

গত ২৮ জুন বগুড়া সদরের মম ইন ইকোপার্ক এলাকা থেকে শমসের আলীর হাতবাঁধা লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় শমসের আলীর ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।

স্বীকারোক্তিতে মোস্তফা জানান, গত ২৮ জুন সকালে শমসের ও মোস্তফা বগুড়া সদরের শাখারিয়া কবিরাজপাড়া এলাকায় দিনমজুরি করতে যান। তাঁরা দুজনেই আলাদা আলাদা বাড়িতে কামলা দেন। সন্ধ্যায় মম ইন ইকোপার্কের পেছনে শমসেরের সঙ্গে মোস্তফার দেখা হয়। গল্পের একপর্যায়ে ইয়ার্কির ছলে শমসেরকে লাথি দেন মোস্তফা, যা শমসেরের অণ্ডকোষে লাগে। মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে হাত বেঁধে রেখে চলে যান মোস্তফা।

পরদিন বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেখানে গিয়ে লাশটি শমসেরের বলে শনাক্ত করেন মোস্তফা ও সিরাজুল। ডিমলায় গিয়ে শমসেরের লাশ দাফনেও অংশ নেন তিনি।

মোস্তফার জবানবন্দির ভিত্তিতে গতকাল নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পিবিআই বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন। তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিবিড় তদন্ত শেষে এ ঘটনায় জড়িত একমাত্র আসামি মোস্তফাকে শনাক্ত করা হয়। আকরামুল হোসেন বলেন, শমসেরের মৃত্যুর পর পেশাদার খুনির মতোই ঠান্ডা মাথায় মোস্তফা লাশ শনাক্ত থেকে দাফন পর্যন্ত সবকিছুই তদারকি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন