বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরের নিভৃত গ্রাম দুবইল। গ্রামটির ৯০ শতাংশই মাটির বাড়িঘর। এখানেই ইউসুফ মোল্লার মাটির বাড়ি। তিনি ঘরের ভেতরেই বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। বর্তমানে ৩১০ জাতের ধানের বীজ সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে জীবিত বীজ রয়েছে ২০৫টি এবং প্রদর্শনীর জন্য বীজ ব্যাংকে আছে ১০৫ জাতের ধানের বীজ। ব্যাংকটি বাড়ির বাইরে আলাদা একটা বাড়িতে করা হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৬৫৮ জন চাষিকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া ধানের বীজ সরবরাহ করা হয়।

সর্বশেষ উৎসবের স্লোগান ছিল ‘স্থানীয় বীজ রক্ষা করি, কৃষির ভিত মজবুত করি’। যাঁরা আগে এখান থেকে ধান নিয়েছিলেন, এ রকম ১৬০ জন কৃষক উপস্থিত থেকে অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে উৎসবে ধানের বীজ পাঠিয়েছিলেন।

উৎসবে আসার একটাই শর্ত থাকে এক কেজি বীজ নিলে পরের বছর তা চাষ করে অন্তত দুই কেজি ফেরত দিতে হবে। সারা দেশে বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় ধানের জাতকে ছড়িয়ে দিতেই বীজ বিনিময়ের এই ব্যতিক্রমী উৎসব। ছয় বছর ধরে দুবইল গ্রামে তিনি ওই আয়োজন করতেন।

ইউসুফ মোল্লার ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ইউসুফ ভাই কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। অবশেষে আজ তিনি মারা যান।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন