বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাজারগুলোতে অর্থনৈতিকভাবে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধের প্রভাবে স্টেশনকেন্দ্রিক দোকান ও খাবার হোটেলগুলোর ব্যবসাতে ভাটা পড়েছে। ট্রেনগুলোর ওপর নির্ভরশীল হকার, কুলিরাও পরিবার নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন।

জুয়েল মিয়া বলেন, তিনি প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে করে সোহাগী থেকে ময়মনসিংহ শহরে বিক্রির জন্য বিভিন্ন কৃষিপণ্য নিয়ে আসতেন। এখন তাঁকে সড়কপথে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। পণ্য পরিবহনে খরচ বেড়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

হেদায়েত উল্লাহ নামের একজন ব্যবসায়ী বলেন, তিনি প্রতিদিন ময়মনসিংহ থেকে আঠারবাড়ি যাওয়া-আসা করেন। সড়কপথে ভাড়া এবং পণ্য পরিবহনের ঝামেলা দুটোই বেশি।

ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি শঙ্কর সাহা বলেন, লোকাল ট্রেনকে ঘিরে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর অনেক মানুষের জীবিকা নির্বাহ হয়। স্বল্প দূরত্বে চলাচলকারী এবং নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে পুনরায় লোকাল ট্রেনগুলো চালু করার পক্ষে মত দেন তিনি।

ময়মনসিংহ স্টেশন সুপার জহুরুল ইসলাম জানান, ট্রেনগুলো চালু হলে সবাই উপকৃত হতো। তবে ট্রেন চালু হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর। রেল ভবন থেকে ঘোষণা এলে পুনরায় এই ট্রেনগুলো চালু করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন