বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, জনি চন্দ্র প্রতিদিনের মতো গত শনিবার মনুফকির হাটে নিজের লন্ড্রির দোকানে ছিলেন। রাত আটটার দিকে একটি ফোন পেয়ে তাঁর ছোট ভাই অভি চন্দ্র দাশকে দোকানে বসিয়ে রেখে তিনি বাইরে বের হয়ে যান। গভীর রাতেও জনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ আত্মীয়স্বজন ও তাঁর বন্ধুদের বাড়িতে খোঁজ করতে থাকেন। আজ সকালে স্থানীয় লোকজন বড়হাতিয়ার কুসাঙ্গেরপাড়া মহাবোধি বৌদ্ধবিহারের উত্তর পাশের দইজ্জা পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখে জনির পরিবারের কাছে খবর পাঠান। পরে জনির বাবা সেখানে গিয়ে তাঁর ছেলের লাশ শনাক্ত করেন। পরে দুপুরের দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহত জনি বড়হাতিয়ার মনুফকির হাট এলাকায় একটি লন্ড্রির দোকান চালাতেন। শনিবার রাতে কে বা কারা ফোন করে তাঁকে ডেকে নিয়ে যায়।

নিহত জনির বাবা সুনীল চন্দ্র দাশ প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাস ছয়েক আগে স্থানীয় মনুফকির হাটে ছেলেকে একটি লন্ড্রির দোকান খুলে দিয়েছি। ছেলে খুব ভালোভাবে দোকান চালাচ্ছিল। শনিবার রাতে কে বা কারা ফোন করে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাত ১০টার দিকেও বাড়িতে ফিরে না আসায় তার মোবাইলে ফোন দিই। এ সময় তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ সকালে দইজ্জা পুকুরে আমার ছেলের লাশ ভাসতে দেখি। এ সময় পুকুরের পার্শ্ববর্তী স্থানে আমার ছেলের স্যান্ডেল, একটি কাঠের টুকরা, ইট ও জমাট বাঁধা রক্ত দেখতে পাই। কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, বুঝতে পারছি না। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।’

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাতেই মাথার পেছনে আঘাত করে জনি চন্দ্রকে হত্যা করার পর পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। জনির লাশটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। কাল মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন