বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে ইতনা গ্রামের বুড়ো ঠাকুরের গাছতলা এলাকায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক। তবে দলীয় মনোনয়ন চাননি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনিরুজ্জামানের ওপর এই হামলা হয়েছে। তিনি নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেল থামিয়ে তাঁর ওপর হামলা করা হয়। তখন তাঁর সঙ্গে কেউ ছিলেন না। এরপর স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়।

লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিপাশা মোশারফ জানান, মনিরুজ্জামানের মাথায় লাঠির আঘাত এবং পেটে ধারালো অস্ত্রের কোপ লেগেছে। তাঁর পুরোপুরি জ্ঞান নেই। মাথার আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে অন্যত্র নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউনিয়নে সাতজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নৌকার প্রার্থী শেখ সিহানুক রহমান।

শেখ সিহানুক রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনিরুজ্জামানের ওপর এই হামলা হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। তিনি আমার একই এলাকার বাসিন্দা। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন। এ নিয়ে কাল শুক্রবার বিকেলে এলাকায় বৈঠক হওয়ার কথা। এর আগমুহূর্তে তাঁর ওপর হামলা হলো। আমার দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁর মুঠোফোনের কল লিস্ট চেক করলেই জানা যাবে কে বা কারা তাঁকে ওই ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়েছে।’

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা বলেন, পূর্বশত্রুতা অথবা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই হামলা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন