বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত হামিদ ফকিরের ভাগনে রহিম শেখ ঘটনাস্থলে ছিলেন। তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর শালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে খোকন শেখের চায়ের দোকানে হামিদ ফকিরসহ কয়েকজন বসে চা খাচ্ছিলেন। তখন ২০-২৫ জন রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। অন্যরা ভয়ে চলে গেলে হামিদ ফকিরকে এলোপাতাড়ি মারধর করে তারা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাত ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রহিম শেখ ও হৃদয় ফকির অভিযোগ করেন, হামিদ ফকিরের সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কাশেম ও এস এম মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে কাজ করায় নৌকার প্রার্থী লাবু মিয়ার সমর্থকেরা এ হামলা চালিয়েছেন। উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব সেলিম কাজীর ভগ্নিপতি নৌকার প্রার্থী লাবু মিয়া। মূলত সেলিম কাজীর ভাই, ভাতিজা ও ছেলে এ হামলা চালিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম বলেন, আওয়ামী লীগ ধ্বংস করার জন্য বিএনপি নেতা সেলিম কাজী উঠেপড়ে লেগেছেন। বিএনপির লোকজন নৌকায় ভর করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মারছে। এ বিষয়ে সেলিম কাজী মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার লোকজন এর মধ্যে নেই। আমি জড়াতে যাব কেন?’
লাবু মিয়া বলেন, ‘চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাশেমের নওখোলা গ্রামের সমর্থকেরা আমার এক সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করেছে। এ ছাড়া আমার বিপক্ষে নানাভাবে কাজ করছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার লোকজন তাঁকে মারধর করেছে।’

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আবু হেনা বলেন, হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন