সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, কোরবানির পশুর বর্জ্য তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ এবং কোরবানির পশুর হাটগুলো দ্রুত পরিষ্কারের জন্য মোট ৩৪৫টি গাড়ি প্রস্তুত ছিল। এসবের মধ্যে রয়েছে নিজস্ব বর্জ্যবাহী ট্রাক, ভারী যন্ত্রপাতি ও পানি ছিটানোর গাড়ি। এর মধ্যে ২৪৫টি গাড়ি সিটি করপোরেশনের নিজস্ব। বাকিগুলো ভাড়া নেওয়া। এ ছাড়া দুর্গন্ধ প্রতিরোধে প্রতিটি ওয়ার্ডে ভ্যানগাড়িতে করে ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণমুক্ত রাখতে ২৫ টন ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের দেওয়া হয়েছে। তাঁরা গতকল থেকেই নগরের অলিগলিতে এসব ছিটাচ্ছেন।

নগরের হামজারবাগ, মোমেনবাগ, পিলখানা, মুরাদপুর, চকবাজার, বাকলিয়াসহ আরও কয়েকটি এলাকা ঘুরে তেমন বর্জ্য চোখে পড়েনি। সিটি করপোরেশনের সেবকদের কর্মতৎপরতা দেখা গেছে। তাঁদের কেউ জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছিলেন। কেউ আবার বর্জ্য সংগ্রহ করছিলেন। কয়েকজন সেবক বলেন, গতকাল সকাল থেকেই তাঁরা কাজ করছেন।

মেয়রের একান্ত সচিব (পিএস) মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রথম আলোকে বলেন, ২৪ ও ৪ নম্বর কিছুটা বড়। অনেক মানুষ সেখানে বসবাস করেন। ওই দুই ওয়ার্ডে কিছুটা সময় বেশি লেগেছে। বাকি ওয়ার্ডগুলোতে কাজ দ্রুত শেষ হয়ে গেছে। এ ছাড়া আতুরার ডিপো এলাকায় চামড়ার আড়ত রয়েছে। সেখানেও বাড়তি টিম কাজ করছে। আশা করা যায়, আজ দুপুরের মধ্যেই পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে।

মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ নিজারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের এলাকায় এবার সচেতনভাবে পশু জবাই দেওয়া হয়েছে। বাসিন্দারা নিজ দায়িত্বেই বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রেখেছিলেন। পরে সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে নিয়ে যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন