default-image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী শনিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কুমিল্লা নগরের সব দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাত নয়টা থেকে বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান ছাড়া শপিং মল, সুপারশপ, কাঁচাবাজার, মাছ–মাংসের দোকান, হোটেল, রেস্তোরাঁ, সড়ক ও ফুটপাতে থাকা ভাসমান ভ্যানগাড়ি, সেলুন ও সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সানাউল হক ও সাধারণ সম্পাদক আতিকউল্লাহ খোকন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ওষুধের দোকান ছাড়া শপিং মল, সুপারশপ, কাঁচাবাজার, মাছ–মাংসের দোকান, হোটেল, রেস্তোরাঁ, সড়ক ও ফুটপাতে থাকা ভাসমান ভ্যানগাড়ি, সেলুন ও সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি মার্চ মাসে করোনাভাইরাস (কোভিড–১৯) পরিস্থিতি আবার প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাত নয়টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। ক্রেতা ও বিক্রেতাকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন
ব্যবসায়ীরা গত বছর রোজায় ব্যবসা করতে পারেননি। এবারও তাঁরা একই ঝুঁকিতে পড়েছেন। ধৈর্য ধরে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ব্যবসা করতে হবে।
আতিকউল্লাহ খোকন, সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা দোকান মালিক সমিতি

জানতে চাইলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিকউল্লাহ খোকন বলেন, পরিস্থিতি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। করোনার ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। জনসমাগম এড়াতে রাত নয়টার পর কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হবে না। স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা গত বছর রোজায় ব্যবসা করতে পারেননি। এবারও তাঁরা একই ঝুঁকিতে পড়েছেন। ধৈর্য ধরে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ব্যবসা করতে হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ও করোনা প্রতিরোধসংক্রান্ত কমিটির সদস্যসচিব মীর মোবারক হোসাইন বলেন, কুমিল্লায় গত কয়েক দিনে সংক্রমণ বেড়েছে। এটা ভালো খবর নয়। এ অবস্থায় সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। মাস্ক পরতে হবে, লোকসমাগম এড়াতে হবে। নিজেদের নিরাপদ রাখতে হবে। রোজা ও ঈদ উপলক্ষে বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতা–বিক্রেতার ভিড় সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন