অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাতকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, উন্নয়নের পরিকল্পনা যেন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতিটি এলাকায় যেন সমান উন্নয়ন হয়। কে ভোট দিয়েছেন, কে দেননি, এটা দেখা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কুমিল্লায় প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। নির্বাচনের ইতিহাসে এটা একটা দৃষ্টান্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ অনুষ্ঠান হয়। এতে আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ৩৬ জন কাউন্সিলরকে শপথবাক্য পাঠ করান। সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর একরাম হোসেন প্যারোলে মুক্তি নিয়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

গত ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ৫০ হাজার ৩১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হন। ১৬ জুন আরফানুল হককে সরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ২৩ জুন গেজেটে মেয়রসহ নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশিত হয়।

নির্বাচনের ২০ দিনের মধ্যেই এবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলো। নিয়মানুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠান করতে হয়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে এবার প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হয়ে নগর ভবনে বসবেন। ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন