বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রায়ে চান মিয়া খান, নুরুজ্জামান খান, জাহাঙ্গীর মাদবর ও জুলহাস মাদবরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর আবদুল হালিম মোল্যা, ফারুক খান, আজিজুর মাদবর, জলিল মাদবর, আজাহার মাদবর, লাল মিয়া মীর, মিজান মীর, এমদাদ মাদবর ও আক্তার গাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল হালিম মোল্যা চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটায় সদর উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীর মোড় বাসস্ট্যান্ডে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছামাদ মাস্টারকে হত্যা করা হয়। ১৭ জানুয়ারি তাঁর স্ত্রী ফেরদৌসী আজাদ চন্দ্রপুর ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান আবদুল হালিম মোল্যাকে প্রধান আসামি করে ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ সদরের পালং মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০১৮ সালের মার্চ মাসে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এ স্থানান্তর করা হয়।

২০১০ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবদুস ছামাদ মাস্টার চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর আগে ২০০৩ সালে চন্দ্রপুর ইউপি নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী ছিলেন।

মামলার বাদী ও নিহত আবদুস ছামাদ মাস্টারের স্ত্রী ফেরদৌসী আজাদ বলেন, ‘আমার স্বামী একজন জনপ্রিয় মানুষ ছিলেন। নির্বাচনের আগে তখনকার চেয়ারম্যান আবদুল হালিম মোল্যা তাঁর লোকজন নিয়ে আমার স্বামীকে হত্যা করেন। মামলার রায়ের জন্য দীর্ঘ ১১ বছর অপেক্ষা করেছি। রায় ভালো হয়েছে। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মূল হোতা আজিবর বালি খালাস পাওয়ায় আমরা হতাশ।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন