বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিতলিয়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সদস্য ও ৩টি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে পছন্দের লোকদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করার জন্য অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করার অভিযোগ ওঠে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ‘এমপি স্যার বলেছেন, চিতলিয়ায় কোনো নির্বাচন হবে না’ শিরোনামে গত ২৮ অক্টোবর প্রথম আলোতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরপরই নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (আইন) মো. মাহাবুবার রহমান ও কমিশনের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. আবু ইব্রাবীম গত বুধ ও বৃহস্পতিবার শরীয়তপুরে তদন্তকাজ শেষ করেন। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ইসি এমন সিদ্ধান্ত দিল।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, চিতলিয়া ইউপিতে ১১ নভেম্বর ভোট হওয়ার কথা ছিল। ওই ইউপিতে ৪৮ প্রার্থী সদস্য পদে এবং ১২ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন এবং তাঁদের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছিল। এর মধ্যে ৩৯ জন সাধারণ সদস্য ও ৯ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে তাঁদের মনোনয়নপত্র গত ২৬ অক্টোবর প্রত্যাহার করে নেন। অথচ গত ২৭ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে কমপক্ষে ২০ জন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন