বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত মালেকের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই নির্বাচন করে পরাজয় মেনে নিয়েছেন। আজ সকালে তিনি ব্যক্তিগত কাজে বাজারে গিয়েছিলেন। কিন্তু দেলোয়ার হোসেন মনের ভেতর ক্ষোভ পুষে রেখে আমার ভাইকে তাঁর পরাজয়ের জন্য দায়ী করে তাঁকে নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওরা প্রভাবশালী, তাই এই হত্যার বিচার পাব কি না, তাও বলতে পারছি না।’

ঘটনার পরে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন মালত ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গ্রাম থেকে পালিয়েছেন। দেলোয়ারের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় আব্দুল মালেককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর প্রথম আলোকে বলেন, নওপাড়া ইউনিয়নের চারদিক পদ্মা নদী। নৌপথে পদ্মা পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এক পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থীকে হত্যার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্তকাজ পুলিশ শুরু করেছে। আর এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলেই মামলা নথিভুক্ত করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন