বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তিরা হলেন মোশারফ দেওয়ানের স্ত্রী শারমিন আক্তার, কুলসুম বেগম, আকাশি, পারু বেগম, মোকলেস ব্যাপারী, ইদ্রিস ব্যাপারী, আমেনা বেগম ও খতেজা বেগম। আহত ব্যক্তিদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে হামলার সময় মোশারফ দেওয়ান ও তাঁর চাচাতো ভাই আমির হোসেন দেওয়ানের ঘর এবং মান্নান দেওয়ানের দোকানে লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মোশারফ দেওয়ান অভিযোগ করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী জাহিদুল ইসলামকে সমর্থন করার কারণে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ভোটের দিন কেন্দ্রে যেতে না দেওয়ার জন্য তাঁর বাড়িসহ তাঁর পরিবারের আটটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। খবর দেওয়ার পরও পুলিশ তৎক্ষণাৎ আসেনি। দেড় ঘণ্টা হামলা চালানোর পর র‍্যাব ও পুলিশ এসেছে। ততক্ষণে সব শেষ।

default-image

মোশারফ দেওয়ান বলেন, ‘আমার ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোটাররা যেন কেন্দ্র যেতে না পারে, সে জন্য নৌকার প্রার্থী জামাল হোসাইনের লোকজন রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে।’

সদস্য প্রার্থী মান্নান দেওয়ান দাবি করেন, নৌকার সমর্থকেরা তাঁর দোকান ভাঙচুর করে এক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জামাল হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকালে জাহিদুল ইসলামের সমর্থকেরা আমার এক কর্মীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। তবে আমার সমর্থকদের শান্ত থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে দুই পক্ষই উত্তেজনা ছড়িয়েছে।’

এদিকে জাহিদুল ইসলাম বলেন, তাঁর ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার জন্যই হামলা করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বাধা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশকে জানালেও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।

জানতে চাইলে সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আক্তার হোসেন বলেন, সদস্য প্রার্থীর বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পাশের কেন্দ্রেও সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। তবে হামলার ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন