বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

থানা-পুলিশ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার পালং এলাকায় রোকনুজ্জামান পারভেজের দোকান আছে। গত সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সেখানে বসে ছিলেন। এ সময় ২০-২৫ জন ব্যক্তি এক নারীকে রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করছিলেন। তিনি ঘটনাটি ভিডিও করেন। একপর্যায়ে তাঁর দোকানে আশ্রয় নেন ওই নারী। তখন ওই সন্ত্রাসীদের দোকান থেকে বের হতে বলেন রোকনুজ্জামান। এ সময় পারভেজকে কিলঘুষি ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন ওই ব্যক্তিরা। এ সময় দোকান থেকে নগদ টাকাও লুট করেন তাঁরা।

হামলার শিকার এটিএন বাংলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক রোকনুজ্জামান পারভেজ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোকনুজ্জামান পারভেজ বলেন, হামলাকারীরা শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে নাজমুল মাদবর ও নাঈম মাদবরের অনুসারী। এ হামলার ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলায় পালং এলাকার নাজমুল হাসান (২৫), নাইমুল হাসান (২২), হৃদয় (২৫), রিফাতকে (২৩) ও ১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর থেকে নাজমুল মাদবর ও নাঈম মদবর আত্মগোপনে আছেন। তাঁদের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

default-image

এদিকে এই হামলার বিচার চেয়ে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শরীয়তপুরে কর্মরত সাংবাদিকেরা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান সেখানে আসেন। তিনি দ্রুততম সময়ে আসামি গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিলে সাংবাদিক নেতারা কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ার কথা জানান সাংবাদিকেরা।

শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি অনল কুমার দে বলেন, রোকনুজ্জামান পারভেজের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় পুলিশ এখনো কেন আসামি গ্রেপ্তার করছে না, তা রহস্যজনক।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন