বিজ্ঞাপন

বাঘারপাড়া, সদর ও অভয়নগর উপজেলার কয়েকটি মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, শর্ষে পেকে গেছে। অনেক খেত থেকে শর্ষে তোলা হয়েছে। অনেক স্থানে মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত কৃষক।

বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামের কৃষক তরিকুল ইসলাম এবার এক বিঘা পাঁচ কাঠা জমিতে (প্রতি বিঘা ৫২ শতক) টরি-৭ জাতের শর্ষে চাষ করেন। তিনি শর্ষে পেয়েছেন ১১ মণ। প্রতি মণ শর্ষে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৪৮০ টাকা।

তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার শর্ষের ফলন খুব ভালো হয়েছে। দামও ভালো পেয়েছেন। ইতিমধ্যে ওই জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছেন।

গত বছর দাম ভালো পাওয়ায় এবার সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক বাবর আলী সরদার এক বিঘা জমিতে সম্পদ জাতের শর্ষে চাষ করেন। তিনি বলেন, খেত থেকে শর্ষে তুলে বাড়ি এনেছেন। ফলন হয়েছে। অন্তত আট মণ শর্ষে পাবেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বারি সরিষা-১৪ জাতের শর্ষের বপনের মাত্র ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। এ জাতের গাছ লম্বা হওয়ায় এর পাতা মাটিতে ঝরে পড়ে জৈব সারের কাজ করে জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ায়। বারি সরিষা-১৪ জাতের আবাদের পর ওই জমিতে বোরো আবাদ করা যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন